ঢাকা

সংবিধান ও সংস্কার ইস্যুতে মুখোমুখি দুই দল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে একে অপরের ওপর উল্টো চাপ সৃষ্টির কৌশল নিয়েছে সরকারি ও বিরোধী দল। কৌশলের অংশ হিসেবে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে নাম না দিলে বিরোধী দলকে আর অতিরিক্ত কোনো সংসদীয় কমিটির সভাপতির পদ দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সরকারি দল। বিপরীতে, জুলাই সনদ অনুযায়ী অন্তত ১৪টি সংসদীয় কমিটির সভাপতির পদ পাওয়ার দাবি তোলার পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও আইনশৃঙ্খলা ইস্যু নিয়ে সংসদ ও রাজপথ—উভয় মাঠেই কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী জোট।

সংসদীয় বিতর্ক, পদের হিসাব ও রাজনৈতিক কৌশলের বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

সংসদীয় কমিটির পদ ও সংবিধান সংস্কারের দ্বন্দ্ব
জুলাই সনদ অনুযায়ী বিরোধী দল সরকারি হিসাব কমিটিসহ অন্তত ১৪টি সংসদীয় কমিটির সভাপতি পদ দাবি করলেও সরকারি দল তা পদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা হিসেবে মানছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বাধীন ১২ সদস্যের বিশেষ সংবিধানে বিরোধী পক্ষ কোনো প্রতিনিধি না পাঠায় এ নিয়ে টানাপোড়েন বেড়েছে। সরকারি দলের দাবি, সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধনে সহযোগিতা করলেই পদ বণ্টন সম্ভব; কিন্তু বিরোধী দল শুরু থেকেই নতুন এই সংসদীয় কমিটিতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

রাজপথ ও সংসদে বিরোধী জোটের কৌশলী কর্মসূচি
সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল পরিস্থিতি সামাল দিতে রুদ্ধদ্বার আলোচনার পরামর্শ দিলেও মাঠের কর্মসূচি অব্যাহত রাখছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। চট্টগ্রামের উদ্দেশে ৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চ দিয়ে শুরু হয়ে পর্যায়ক্রমে রংপুর, খুলনা ও সিলেটে লংমার্চ শেষ করে ঢাকায় মহাসমাবেশ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে জোটটি। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে সংসদ অধিবেশনে সরব থাকার মাধ্যমে সরকারকে চাপে রাখার কৌশল জোরদার করা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স