ঢাকা

২০২৭ সালের এসএসসি হবে তিন বছরের সিলেবাসের আলোকে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং

২০২৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় একসঙ্গে তিনটি ভিন্ন শিক্ষাবর্ষের সিলেবাস কার্যকর হচ্ছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাম্প্রতিক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শিক্ষাবর্ষের ভিন্নতা ও পরীক্ষার্থীদের ধরণ (নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন) বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে একই বছর তিনটি ভিন্ন সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।


নিয়মিত শিক্ষার্থীদের জন্য ২০২৭ সালের সিলেবাস

যাঁরা ২০২৭ সালে প্রথমবার নিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের সম্পূর্ণ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের জন্য নির্ধারিত নতুন পাঠ্যসূচি ও সিলেবাস অনুযায়ী। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী, এসব শিক্ষার্থীকে তাঁদের নিজস্ব বর্ষের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসের সব বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এবং তাঁদের অর্জিত নম্বর ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়াও থাকবে সম্পূর্ণ নতুন কাঠামোর আওতায়।


অনিয়মিতদের পরীক্ষা ২০২৫ ও ২০২৬ সিলেবাসে

যেসব শিক্ষার্থী পূর্ববর্তী বছরগুলোতে পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন কিংবা নিয়মিত অংশ নিতে পারেননি, তাঁদের জন্য দুটি আলাদা সিলেবাস নির্ধারণ করা হয়েছে। অনিয়মিত  এবং মানোন্নয়ন  পরীক্ষার্থীরা ২০২৫ ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার পাঠ্যসূচি অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে অংশ নেবেন। অর্থাৎ, শিক্ষার্থী যে শিক্ষাবর্ষের অধীনে রেজিস্ট্রেশন করেছিলেন বা যে বছর অকৃতকার্য হয়েছিলেন, সেই বছরের সিলেবাস অনুযায়ী তাঁদের প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করা হবে।


জিপিএ উন্নয়নে ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েও যাঁরা জিপিএ ৫.০০ পাননি, তাঁরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে ২০২৭ সালে মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে তাঁদেরকে ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ সিলেবাস অনুসারেই সব বিষয়ের পরীক্ষায় বসতে হবে। পরীক্ষায় নতুন ফলাফল বা জিপিএ উন্নত হলে তা চূড়ান্ত হিসেবে গ্রহণ করা হবে, অন্যথায় শিক্ষার্থীর পূর্বের অর্জিত জিপিআই বহাল থাকবে।


শারীরিক শিক্ষা ও ক্যারিয়ার এডুকেশনের মূল্যায়ন

সব শিক্ষাবর্ষের (২০২৫, ২০২৬ ও ২০২৭) শিক্ষার্থীদের জন্যই শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়গুলোতে সরাসরি লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে না। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্দেশনা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ এসব বিষয়ে ‘ধারাবাহিক মূল্যায়ন’  করবে। প্রতিষ্ঠানগুলো প্রাপ্ত নম্বর কেন্দ্রে পাঠাবে এবং কেন্দ্র থেকে তা সরাসরি বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে আপলোড করে মূল নম্বর ফর্দ বোর্ডে জমা দেওয়া হবে।


অনিয়মিত ও অকৃতকার্যদের আগের বিষয়ভিত্তিক সুবিধা

২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে রেজিস্ট্রেশন করা সত্ত্বেও যাঁরা পূর্বে পরীক্ষায় অংশ নেননি বা চার বিষয় পর্যন্ত অকৃতকার্য হয়েছেন, তাঁরা ২০২৭ সালে অনিয়মিত হিসেবে চতুর্থ বিষয়সহ সব বিষয়ে বা কেবল অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পরীক্ষা দিতে পারবেন। তবে পূর্বের অকৃতকার্য বিষয়গুলোতে পাস করলে চতুর্থ বিষয়ের বোনাস নম্বর ও সুবিধাসমূহ বহাল থাকবে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স