ঢাকা

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতার ছোঁয়া: এপ্রিলের মধ্যেই যানজটমুক্ত ঢাকা গড়ার লক্ষ্য

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সরকারের গৃহীত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো আগামী এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদ বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর ট্রাফিক জট অনেকাংশেই কমে আসবে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঢাকার রাস্তাঘাটে শৃঙ্খলা ফেরাতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সভার মূল আলোচ্য বিষয় ও অংশগ্রহণকারী
প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই সভায় সভাপতিত্ব করেন, যেখানে যানজট নিরসনে তিনটি স্তরে (স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি) পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে। সভায় উপস্থিত ছিলেন:

বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তিবিদ: বুয়েটের বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি ও ডিটিসিএ (DTCA) কর্মকর্তারা।

প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ: ডিএমপি (DMP), উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এবং রাজউক-এর শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ ট্রাফিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য দপ্তরের প্রতিনিধিরা।

দেশীয় প্রযুক্তিতে অটোমেশন সিগন্যাল
ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অটোমেশনের ওপর জোর দিয়েছেন:

বর্তমান অবস্থা: বর্তমানে ঢাকার সাতটি পয়েন্টে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অটোমেশন সিগন্যাল কাজ করছে।

আগামী পরিকল্পনা: আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আরও ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই সিস্টেম চালু হবে।

চূড়ান্ত লক্ষ্য: পর্যায়ক্রমে রাজধানীর ১২০টি সিগন্যাল পয়েন্টকেই সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেশন ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

সময়োপযোগী বাস্তবায়ন ও প্রত্যাশা
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "আমরা আশা করছি এপ্রিলের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি কাজগুলো শেষ করতে পারব। এতে নগরবাসী তাৎক্ষণিক সুফল পাবেন। এরপর মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।"

তিনি আরও জানান, সভার বিস্তারিত সিদ্ধান্তগুলো রেজুলেশন আকারে অতি শীঘ্রই জনসাধারণের অবগতির জন্য প্রকাশ করা হবে। তবে মূল লক্ষ্য হচ্ছে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে ট্রাফিক পুলিশের ওপর চাপ কমানো এবং জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স