মন্ত্রী জানান, ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরণের আতঙ্ক কাজ করছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে অস্বাভাবিক ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সরবরাহ বনাম আতঙ্ক: তেলের বর্তমান চিত্র
মন্ত্রী বাস্তব পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন:
স্বাভাবিক সরবরাহ: যুদ্ধ পরিস্থিতির আগেও দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হতো, বর্তমানেও ঠিক সেই পরিমাণই সরবরাহ বজায় রাখা হয়েছে।
দ্রুত নিঃশেষ: আগে পাম্পগুলোতে সরবরাহকৃত তেল বিক্রি হতে গড়ে দেড় দিন সময় লাগত। কিন্তু বর্তমানে আতঙ্কের কারণে মানুষ প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল সংগ্রহ করায় মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই পাম্পের মজুদ শেষ হয়ে যাচ্ছে।
পর্যাপ্ত মজুদ: দেশে বর্তমানে তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং আমদানির পাইপলাইনও সচল রয়েছে।
অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হলে সরকার কঠোর হবে বলে জানান মন্ত্রী:
কঠোর নজরদারি: জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পাম্প ও গুদামগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করার জন্য।
অভিযান জোরদার: কৃত্রিম মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধে ইতিমধ্যে সারা দেশে মোবাইল কোর্ট ও বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
লোডশেডিং ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন:
লোডশেডিং মুক্ত দেশ: বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে, যার ফলে কোথাও লোডশেডিং নেই।
সৌর বিদ্যুতে গুরুত্ব: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সরকার এখন পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে। সয়দাবাদের এই সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রটি সেই মহাপরিকল্পনারই একটি অংশ।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম এবং নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক