ঢাকা

কুর্দিদের এসডিএফ বিলুপ্ত, সিরিয়ার ভবিষ্যতের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পদক্ষেপ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস/আইএসআইএল)বিরোধী লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সরকারের সঙ্গে হওয়া এক চুক্তির আওতায় বাহিনীটির সিরীয় সেনাবাহিনীতে একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন এসডিএফের প্রধান মাজলুম আবদি।

মঙ্গলবার দামেস্কের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে দেওয়া বক্তব্যে মাজলুম আবদি বলেন, এসডিএফ এখন আর স্বাধীন কোনো সশস্ত্র বাহিনী হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে না। এর সদস্যরা সিরীয় রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে কাজ করবেন।

আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসডিএফের বিলুপ্তি সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ, কুর্দিদের রাজনৈতিক অবস্থান এবং দেশটির ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রীয় কাঠামোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে কুর্দি নেতৃত্বাধীন এই বাহিনী ও তাদের রাজনৈতিক মিত্রদের আলাদা প্রশাসনিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ ছিল।

মাজলুম আবদি বলেন, ‘আজ আমরা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি। এর মাধ্যমে আমরা সিরিয়ার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ পাতা উল্টে দিলাম। আর শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পুনর্গঠন নামের একটি নতুন পাতা খুলতে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধক্ষেত্র থেকে এখন বিনির্মাণের পথে যাওয়ার সময় এসেছে এবং অস্ত্রের যুগ পেরিয়ে শান্তির যুগে প্রবেশ করতে চায় এসডিএফ।

কীভাবে এসডিএফের উত্থান

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় কুর্দি নেতৃত্বাধীন ওয়াইপিজি ও তাদের মিত্রদের নিয়ে এসডিএফ গঠিত হয়। আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সংগঠনটি দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান স্থানীয় সামরিক সহযোগীতে পরিণত হয়।

উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় আইএসের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র এসডিএফকে সামরিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করে। আইএসের দখলে থাকা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পুনর্দখলেও এসডিএফ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এর ফলে সিরিয়ার ভেতরে এসডিএফ শুধু একটি সামরিক বাহিনী হিসেবে নয়, বরং কুর্দি নেতৃত্বাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনের নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

কিন্তু ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ার রাজনৈতিক সমীকরণ দ্রুত বদলে যায়। আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বে দামেস্কে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রও নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করতে শুরু করে। এতে দীর্ঘদিনের মার্কিন মিত্র এসডিএফের অবস্থানও নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়।

জানুয়ারির সংঘর্ষে বদলে যায় পরিস্থিতি

একসময় উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার বিশাল এলাকার ওপর এসডিএফ ও তাদের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ ছিল। কিন্তু গত জানুয়ারিতে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন বেশির ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ হারায়।

এরপর দামেস্ক সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ বেছে নেয় এসডিএফ। চুক্তির মূল বিষয় ছিল—কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীকে সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে একীভূত করা এবং একই সঙ্গে কুর্দিদের কিছু মৌলিক সাংস্কৃতিক, নাগরিক ও শিক্ষাগত অধিকার স্বীকৃতি দেওয়া।

তবে চুক্তি হলেও এর বাস্তবায়ন সহজ ছিল না। বিশেষ করে এসডিএফের ভারী অস্ত্রের ভবিষ্যৎ, বাহিনীটির যোদ্ধাদের কীভাবে সিরীয় সামরিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং ওয়াইপিজির নারী যোদ্ধাদের ভূমিকা কী হবে—এসব প্রশ্ন দীর্ঘদিন অমীমাংসিত ছিল।

সাত মাস ধরে আটকে ছিল একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া

দামেস্ক থেকে আল–জাজিরার প্রতিবেদক হেইডি পেট বলেন, এসডিএফের বিলুপ্তি সিরিয়ার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। তাঁর মতে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আল-শারা সরকারকে সমর্থন দেওয়ার পর এসডিএফের রাজনৈতিক ও সামরিক বাস্তবতা বদলে যায়।

তবে এসডিএফের একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া সাত মাসের বেশি সময় ধরে আটকে ছিল। এর অন্যতম কারণ ছিল বাহিনীটির ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে দুই পক্ষের মতপার্থক্য।

হেইডি পেটের ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াইপিজির অবস্থান ছিল তাদের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নেওয়া উচিত। কারণ, তাদের সদস্যরা পেশাদার যোদ্ধা এবং আইএসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন যুদ্ধ করেছে। তারা ভবিষ্যতেও সামরিক বাহিনীর সদস্য হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে চেয়েছিল।

অন্যদিকে দামেস্ক সরকার তাদের কেবল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল। ফলে এসডিএফের সামরিক কাঠামো, অস্ত্র এবং সদস্যদের ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে সমঝোতা করতে সময় লেগেছে।

এখন বাহিনী বিলুপ্তির ঘোষণার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে—চুক্তিটি বাস্তবে কীভাবে বাস্তবায়িত হবে।

কুর্দিদের অধিকার কতটা নিশ্চিত হবে

এসডিএফের সঙ্গে দামেস্ক সরকারের সমঝোতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কুর্দিদের অধিকার।

বাশার আল-আসাদের পরিবারের প্রায় পাঁচ দশকের শাসনামলে সিরিয়ার কুর্দিরা দীর্ঘদিন বৈষম্য ও রাজনৈতিক বঞ্চনার অভিযোগ করে এসেছে। তাঁদের একটি অংশ নাগরিকত্ব থেকেও বঞ্চিত ছিল।

নতুন চুক্তিতে কুর্দিদের সাংস্কৃতিক, নাগরিক ও শিক্ষার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। মাজলুম আবদি বিশেষভাবে কুর্দি ভাষায় শিক্ষার অধিকার সংরক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন।

তিনি জানান, চলতি বছর থেকেই কুর্দি ভাষায় শিক্ষা কার্যক্রম চালুর জন্য কাজ করা হবে।

এটি কুর্দিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, ভাষা ও সাংস্কৃতিক অধিকারের প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরে কুর্দি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক দাবির অন্যতম কেন্দ্রে ছিল।

তবে শুধু চুক্তিতে অধিকার স্বীকার করলেই বিষয়টির সমাধান হবে না। উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় এসব অধিকার কীভাবে বাস্তবে কার্যকর করা হবে, সেটিই এখন বড় পরীক্ষা।

‘সিরিয়ার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত’

আল–জাজিরার বিশ্লেষণে এসডিএফের বিলুপ্তিকে সিরিয়ায় দীর্ঘদিনের বিভক্ত সামরিক কাঠামো একীভূত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হয়েছে।

সিরীয়-বংশোদ্ভূত মার্কিন অধ্যাপক ও লেখক সালেহ মুবারক বলেন, আসাদ সরকারের পতনের পর সংঘাত এড়ানোর পথ খুঁজতে উভয় পক্ষের প্রচেষ্টাকে তিনি ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

তাঁর মতে, এই সমঝোতার প্রভাব শুধু কুর্দি অধ্যুষিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সিরিয়ার দক্ষিণ ও সম্ভবত পশ্চিমাঞ্চলের অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তারা বুঝতে পারবে যে সিরিয়া একটি অখণ্ড দেশ হিসেবেই থাকবে। একই সঙ্গে দেশটির ধর্ম, সম্প্রদায়, ভাষা ও জাতিগত বৈচিত্র্যও স্বীকৃতি পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

অর্থাৎ এসডিএফের বিলুপ্তিকে শুধু একটি সামরিক বাহিনীর অবসান হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না। এটি সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা, কুর্দিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর একটি একক রাষ্ট্রীয় কাঠামো তৈরির প্রচেষ্টার অংশ।

তবে আশঙ্কাও থেকেই যাচ্ছে

সমঝোতা নিয়ে আশাবাদ থাকলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

সালেহ মুবারক বলেন, আল-শারা সরকার কুর্দিদের ভাষার অধিকারসহ বিভিন্ন অধিকার স্বীকার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় এখন পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতিগুলো প্রত্যাশা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হয়নি।

তাঁর মতে, বড় কোনো সমস্যা ছাড়াই চুক্তিটি এই পর্যায়ে পৌঁছানো অবশ্যই ইতিবাচক। তবে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাগজে থাকা প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়।

বিশেষ করে এসডিএফের যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি, ভারী অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ, ওয়াইপিজির নারী যোদ্ধাদের ভবিষ্যৎ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের স্থানীয় প্রশাসনের কাঠামো—এসব বিষয়ে বাস্তবসম্মত সমাধান প্রয়োজন হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ

এসডিএফের ভাগ্য পরিবর্তনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় ওয়াশিংটনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় অংশীদার ছিল এসডিএফ। কিন্তু আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার নতুন সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়েছে। ফলে এসডিএফকে আগের মতো স্বতন্ত্র সামরিক শক্তি হিসেবে রাখার কৌশলগত প্রয়োজনীয়তাও কমে এসেছে।

এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়াকে তাদের ‘সন্ত্রাসবাদে মদদদাতা রাষ্ট্রের’ তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কয়েক দশক ধরে এই তালিকায় থাকার কারণে সিরিয়া কঠোর অর্থনৈতিক বিধিনিষেধের মুখে ছিল।

আল-আসাদের পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র ও সিরিয়ার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার পরপরই এসডিএফের বিলুপ্তি ও সিরীয় সেনাবাহিনীতে একীভূত হওয়ার ঘোষণা নতুন সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়াকে আরও এগিয়ে দিল।

‘কালো অধ্যায়’ পেছনে ফেলার দাবি শারার

এসডিএফের বিলুপ্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা।

তিনি বলেছেন, সিরিয়া একটি ‘কালো অধ্যায়’ থেকে বেরিয়ে এসেছে। এখন দেশটি উন্নয়ন, পুনর্গঠন ও নতুন করে গড়ে ওঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে নতুন সরকার এসডিএফের বিলুপ্তিকে শুধু একটি সামরিক সমঝোতা হিসেবে দেখছে না; বরং রাষ্ট্রের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক ঐক্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবেও তুলে ধরছে।

সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা বাস্তবায়ন

এসডিএফের বিলুপ্তির ঘোষণা সিরিয়ার দীর্ঘ সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও এর মধ্য দিয়ে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাচ্ছে না। বরং এখন শুরু হচ্ছে আরও কঠিন বাস্তবায়নের পর্ব।

একদিকে দামেস্ককে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অন্যদিকে কুর্দিদের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও নাগরিক অধিকার বাস্তবে নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সাবেক এসডিএফ যোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াটিও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

এই ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হলে এসডিএফের বিলুপ্তি সিরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে। আর তা ব্যর্থ হলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।

তাই এসডিএফের বিলুপ্তির ঘোষণাকে একটি বাহিনীর আনুষ্ঠানিক অবসানের চেয়ে বড় করে দেখা হচ্ছে। এটি সিরিয়াকে একটি একক রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা, কুর্দিদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন সম্পর্ক এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক বন্দোবস্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স