ঢাকা

সেশনজট নিরসন ও নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যেন কোনোভাবেই সময় অপচয় না হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, “দশ বছরে এসএসসি এবং ১২ বছরে এইচএসসি—এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা বদ্ধপরিকর। শিক্ষার্থীদের স্কুলিং পিরিয়ড যেন দীর্ঘায়িত না হয় এবং কোনো সেশনজট যেন তাদের ক্যারিয়ারে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তিনি আরও জানান, সিলেবাস ও পরীক্ষার সময়সূচি নিয়ে আজই একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সময় নষ্ট না করে পাঠ্যসূচি সম্পন্ন করার সঠিক দিকনির্দেশনা ঠিক করা হবে।

পাঠ্যসূচি ও পরীক্ষা পদ্ধতিতে সংস্কার
শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন আনতে পাঠ্যসূচিতে ব্যাপক পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হবে। পরীক্ষার পদ্ধতিকে আরও শৃঙ্খলিত ও সুন্দর করার ওপর জোর দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন যে, তাদের স্বার্থ বিবেচনা করেই সকল সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নকলমুক্ত ও সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের যে ধারা বর্তমানে চলছে, তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান ও আগামীর লক্ষ্য
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকার এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে চায় যেখানে শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ে তাদের শিক্ষা শেষ করে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে। সুন্দর পরীক্ষা পদ্ধতির সুফল সবাই ভোগ করছে উল্লেখ করে তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠ্যক্রমে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই নতুন উদ্যোগ কার্যকর হলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের কয়েক লাখ শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের সেশনজট ভীতি দূর হবে এবং দেশের শিক্ষাখাতে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স