নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করল অস্ট্রেলিয়া। লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে পরাজিত করে ইতিহাসে সপ্তমবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলেছে তারা। বিশ্বকাপের দশটি আসরের মধ্যে সাতটিতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি এখন অস্ট্রেলিয়ার দখলে, যেখানে অন্য কোনো দল এখনো দুটি শিরোপাও জিততে পারেনি।
টসে জিতে আগে ব্যাট করা ইংল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান সংগ্রহ করে। জবাবে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১৭.১ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় এবং হাতে থাকে আরও ১৭ বল।
রান তাড়ায় শুরুতেই একটি উইকেট হারালেও এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় উইকেটে বেথ মুনি ও ফিবি লিচফিল্ড দুর্দান্ত এক জুটি গড়ে তোলেন। ১৭ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর তাঁদের ১০০ রানের বেশি জুটি দলকে জয়ের খুব কাছাকাছি নিয়ে যায়। মুনি ৪৯ বলে ৬৪ রান করে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন, আর লিচফিল্ড ৩৫ বলে খেলেন ৪৮ রানের কার্যকর ইনিংস।
এর আগে ইংল্যান্ডের হয়ে অধিনায়ক ন্যাট স্কিভার-ব্রান্ট অপরাজিত ৫৮ রান করেন। তাঁর সঙ্গে ফ্রেয়া কেম্পের অপরাজিত ৪৪ রানের জুটিতে পঞ্চম উইকেটে যোগ হয় ৮০ রান, যা দলকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেয়। তবে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিংয়ের সামনে সেই সংগ্রহ যথেষ্ট প্রমাণিত হয়নি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ইংল্যান্ড: ২০ ওভারে ১৫০/৪
- ন্যাট স্কিভার-ব্রান্ট ৫৮*
- ফ্রেয়া কেম্প ৪৪*
- অ্যালিস ক্যাপসি ২৩
- চার্লি হ্যামিল্টন ১/১৯
অস্ট্রেলিয়া: ১৭.১ ওভারে ১৫৩/৩
- বেথ মুনি ৬৪
- ফিবি লিচফিল্ড ৪৮
- সোফি এক্লেসটোন ১/২৪
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয়ী।
ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়: বেথ মুনি।
টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়: বেথ মুনি।