ঢাকা

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান ফটকে আতঙ্কের ছায়া: উদ্ধার ৬ সাউন্ড গ্রেনেড

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তরের প্রবেশপথে এমন বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় আদালত পাড়ায় ব্যাপক উত্তেজনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। যদিও সময়মতো শনাক্ত হওয়ায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

যেভাবে উদ্ধার হলো বিস্ফোরক
প্রত্যক্ষদর্শী ও আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে প্রধান বিচারপতির যাতায়াতের পথের পাশে কিছু সন্দেহজনক বস্তু পড়ে থাকতে দেখে নিরাপত্তা কর্মীরা শাহবাগ থানায় খবর দেন।

তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা: খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলটি কর্ডন করে ফেলে এবং সাধারণের চলাচল সীমিত করে দেয়।

নিষ্ক্রিয়করণ: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি বিশেষজ্ঞ দল দুপুর ২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তারা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে সাউন্ড গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করে এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিরাপদ স্থানে নিয়ে সেগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে।

নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন
সুপ্রিম কোর্টের মতো অতি গুরুত্বপূর্ণ ও উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় কীভাবে এবং কারা এই সাউন্ড গ্রেনেডগুলো নিয়ে এল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে মনে করছে, এটি বিচার বিভাগের কাজে বিঘ্ন ঘটানো বা আতঙ্ক সৃষ্টির কোনো সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা হতে পারে।

প্রশাসনের পদক্ষেপ
এই ঘটনার পর সুপ্রিম কোর্ট ও এর আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে:

সিসিটিভি বিশ্লেষণ: আদালতের প্রবেশপথ এবং চারপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের গতিবিধি শনাক্ত করতে গোয়েন্দা পুলিশ কাজ শুরু করেছে।

তল্লাশি জোরদার: আগত দর্শনার্থী এবং যানবাহনের ক্ষেত্রে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, দায়ীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের প্রধান বিচারপতির কার্যালয়ের দোরগোড়ায় এমন বস্তুর উপস্থিতি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য এক বড় সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স