ঢাকা

গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণে উচ্চ সুদ নিয়ে হাইকোর্টের রুল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং


গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণে আরোপিত সুদের হার কমানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন হাইকোর্ট। তফসিলি ব্যাংকগুলোর তুলনায় ভূমিহীন ও নিম্নআয়ের গ্রাহকদের কাছ থেকে বেশি সুদ নেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

সোমবার বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিব, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাসুদ আর সোবহান। শুনানিতে তাঁর সঙ্গে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফাতেমা এস চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ফারুক হোসেন ও সাইফুজ্জামান।

আদালতে শুনানির সময় বলা হয়, গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণে সুদের হার অনেক ক্ষেত্রেই ২০ শতাংশের বেশি, যা সাধারণ তফসিলি ব্যাংকের ঋণের তুলনায় বেশি। অথচ এসব ঋণের গ্রাহকের বড় অংশই দরিদ্র ও ভূমিহীন জনগোষ্ঠী।

রিটকারীদের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, দেশের অন্যান্য তফসিলি ব্যাংকে কোনো ঋণগ্রহীতা মূল ঋণের দ্বিগুণ অর্থ পরিশোধ করলে অনেক ক্ষেত্রে দায়মুক্তির সুযোগ পান। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতারা সেই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

এ কারণে ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতাদের জন্য একই ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও রুলে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স